বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়া। শান্ত, সুনিবিড় ছোট্ট একটা জায়গা। কিন্তু অতিসাধারণ প্লাস অমায়িক মানুষজন আর সবুজ পরিবেশ এই উপজেলাকে দিয়েছে এক অন্য মাত্রা। গিয়েছিলাম ২৬ অক্টোবর ২০১৭ তে এবং ফিরেছি আজ ২৮ অক্টোবর ২০১৭ তে। এক্সপেরিএন্সের আলোকেই এবার ডিটেইলসঃ
#যাবেন_কিভাবে
এই রুটে নাবিল পরিবহণ সবচেয়ে বিখ্যাত। তবে শ্যামলী, হানিফসহ আরও অনেক ভালো ভালো সার্ভিস আছে। নাবিল পরিবহণ আপনাকে নামিয়ে দেবে পঞ্চগড়ে। সেখান থেকে লোকাল বাসে করে তেঁতুলিয়া যেতে পারবেন। আমরা শ্যামলীতে ডিরেক্ট তেঁতুলিয়া পৌঁছেছিলাম। নন এসি, এসি দুই ধরণের সার্ভিসই আছে। নন এসির ভাড়া ৫৫০-৬৫০-র মধ্যে এবং এসির ভাড়া ১২০০-র মধ্যে। ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৬-৭ টার মধ্যে রওনা দিলে সকালে ৬-৭ টার মধ্যে তেঁতুলিয়া পৌছাতে পারবেন। রাস্তায় বেশ জ্যাম পোহাতে হবে। যেতে আমাদের সময় লেগেছিল ১৩ ঘণ্টা, আসতে ১৫ ঘণ্টা। সো ভেবে চিন্তে রওনা হওয়াটা আপনার জন্য বেটার।
এই রুটে নাবিল পরিবহণ সবচেয়ে বিখ্যাত। তবে শ্যামলী, হানিফসহ আরও অনেক ভালো ভালো সার্ভিস আছে। নাবিল পরিবহণ আপনাকে নামিয়ে দেবে পঞ্চগড়ে। সেখান থেকে লোকাল বাসে করে তেঁতুলিয়া যেতে পারবেন। আমরা শ্যামলীতে ডিরেক্ট তেঁতুলিয়া পৌঁছেছিলাম। নন এসি, এসি দুই ধরণের সার্ভিসই আছে। নন এসির ভাড়া ৫৫০-৬৫০-র মধ্যে এবং এসির ভাড়া ১২০০-র মধ্যে। ঢাকা থেকে সন্ধ্যা ৬-৭ টার মধ্যে রওনা দিলে সকালে ৬-৭ টার মধ্যে তেঁতুলিয়া পৌছাতে পারবেন। রাস্তায় বেশ জ্যাম পোহাতে হবে। যেতে আমাদের সময় লেগেছিল ১৩ ঘণ্টা, আসতে ১৫ ঘণ্টা। সো ভেবে চিন্তে রওনা হওয়াটা আপনার জন্য বেটার।
#থাকবেন_কোথায়
সরকারি ডাকবাংলো আছে। চাইলে থাকতে পারবেন। আগে থেকে পারমিশন দরকার হবে। এছাড়াও তেঁতুলিয়া বাজারেও থাকার মত এভারেজ মানের হোটেল পাবেন। শান্ত, নির্ঝঞ্ঝাট এলাকা। সো যেখানেই থাকুন না কেন, কোলাহল তেমন একটা টের পাবেন না।
সরকারি ডাকবাংলো আছে। চাইলে থাকতে পারবেন। আগে থেকে পারমিশন দরকার হবে। এছাড়াও তেঁতুলিয়া বাজারেও থাকার মত এভারেজ মানের হোটেল পাবেন। শান্ত, নির্ঝঞ্ঝাট এলাকা। সো যেখানেই থাকুন না কেন, কোলাহল তেমন একটা টের পাবেন না।
#খাবেন_কি
বাজারে কয়েকটা হোটেল আছে। বেশ ভালো মানের খাবার পাবেন এগুলোতে। দামও কম। বিভিন্ন টাইপ ভর্তা থেকে শুরু করে মাংস, সবই পাবেন। তবে ট্রাই করতে পারেন টাটকা মালাই চা আর টাটকা সাদা মিষ্টি। মিষ্টিটা পাবেন সকালে ১০ টা পর্যন্ত আর রাতে ৯ টার পর। অস্থির স্বাদ। রসূনের চপ খেতে পারেন। অদ্ভুত জিনিস। টেস্ট ভালো।
বাজারে কয়েকটা হোটেল আছে। বেশ ভালো মানের খাবার পাবেন এগুলোতে। দামও কম। বিভিন্ন টাইপ ভর্তা থেকে শুরু করে মাংস, সবই পাবেন। তবে ট্রাই করতে পারেন টাটকা মালাই চা আর টাটকা সাদা মিষ্টি। মিষ্টিটা পাবেন সকালে ১০ টা পর্যন্ত আর রাতে ৯ টার পর। অস্থির স্বাদ। রসূনের চপ খেতে পারেন। অদ্ভুত জিনিস। টেস্ট ভালো।
#ঘুরবেন_কোথায়
ভ্যান বা অটো ভাড়া করতে পারেন সারাদিনের জন্য। আমরা অটো ভাড়া করেছিলাম ৬০০ টাকায়।
ভ্যান বা অটো ভাড়া করতে পারেন সারাদিনের জন্য। আমরা অটো ভাড়া করেছিলাম ৬০০ টাকায়।
মহানন্দা নদীর পাড়ে সরকারি ডাকবাংলো থেকে সবচেয়ে ভালো ভাবে দেখতে পাবেন তেঁতুলিয়ার মেইন আকর্ষণ কাঞ্চনজঙ্ঘা। এছাড়াও বাংলা টির (চা) কারখানার এলাকা থেকেও পরিষ্কার ওয়েদারে দেখতে পাবেন কাঞ্চনজঙ্ঘা।
যেতে পারেন বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে। শুক্রবার বন্ধ থাকে বিজনেস কার্যক্রম। তখন একদম ফাঁকা এলাকা পাবেন।
মহানন্দা নদী দেখতে পারেন। একদম মৃতপ্রায় অবস্থা, কিন্তু নদী তো নদীই। এই নদীর সাথেই ইন্ডিয়া বাংলাদেশ বর্ডার। সো সাবধান।
তেঁতুলিয়া ঢোকার একদম মুখে রাস্তার পাশেই ইন্ডিয়ান বর্ডারে অবস্থিত চা বাগানটা দেখতে পারেন। চা বাগানটা ইন্ডিয়ান টেরিটরিতে। সো সাবধান।
কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেট দেখতে পারেন। ঘুরতে চাইলে পারমিশন নিয়ে বিকাল ৫ টার মধ্যে যেতে হবে। বিশাল এলাকা। ডাহুক নদীর দুই পাড়ের বেশ কিছুটা এলাকা নিয়ে এই এস্টেটের অবস্থান। ঝুম সবুজাভ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন এখানেও। আর একদম নীরবতা হচ্ছে বোনাস। চাইলে কিনতে পারেন এদের নিজস্ব চা। মিনি মীনা বাজার বলে একটা সুন্দর দোকান আছে এই এস্টেটের এলাকাতেই। ওখানেই সব পাবেন।
আদতে আপনার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লাগবে রাস্তাঘাট। অক্টোবরের হালকা ঠাণ্ডায়, কুয়াশাঘেরা, গাছগাছালিতে ভরপুর একটা ছোট্ট জনপদের সরু রাস্তাগুলোয় চলতে চলতে আর অতিসাধারণ মানুষগুলোর সাথে রাস্তার পাশের ছোট্ট দোকানগুলোতে আড্ডা দিতে দিতেই দেখবেন সময় কেটে যাবে অনেকটা।
তো এবার আর দেরি না করে ঘুরে আসুন 

No comments:
Post a Comment